কাঁচা দুধ ফ্রিজে দুই থেকে তিন দিন এবং পাস্তুরিত দুধ তিন থেকে পাঁচ দিন ভালো থাকে। দুধে টক গন্ধ হলে, তা ফেটে গেলে বা এর রঙ বদলে গেলে বুঝতে হবে দুধটি নষ্ট হয়ে গেছে। নষ্ট দুধ পান করলে খাদ্যে বিষক্রিয়া হতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে এটি ভালোভাবে শনাক্ত করে নিন।
দুধ দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অপরিহার্য একটি খাদ্যদ্রব্য। তবে, অনেকেই জানতে চান যে দুধ ফ্রিজে কতদিন ভালো থাকে এবং এটি নষ্ট হয়ে গেছে কিনা তা কীভাবে বোঝা যায়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে দুধ অনেকদিন তাজা থাকতে পারে, কিন্তু সামান্য অসাবধানতাতেই তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
দুধের সংরক্ষণকাল এর ধরন ও সংরক্ষণ পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। জ্বাল দিয়ে ফোটানোর পর ফ্রিজে রাখলে এটি প্রায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। একবার খোলা হলে প্যাকেটটি সাধারণত ফ্রিজে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে।
না খোলা প্যাকেটে এটি বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত নিরাপদ থাকতে পারে, তবে খোলার পর ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত। দুধ সবসময় ফ্রিজের ভিতরের দিকে রাখুন। ফ্রিজের দরজার তাপমাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে, যার কারণে দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
দুধ বেশিক্ষণ তাজা রাখার কিছু উপায় জানুন৷ দুধ ফোটানোর পর ফ্রিজে রাখার আগে তা পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। দুধ একটি পরিষ্কার, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রাখুন। তার পর দুধ বার বার গরম ও ঠান্ডা করা থেকে বিরত থাকুন। আপনার কাছে বেশি পরিমাণে দুধ থাকলে, তা কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিন। ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নীচে রাখার চেষ্টা করুন।
নষ্ট দুধ কীভাবে শনাক্ত করবেন? টক গন্ধ, জমাট বেঁধে দুধ দানা-দানা হয়ে যাওয়া, টাটকা দুধের সাদা রং পাল্টে হাল্কা ধূসর হয়ে যাওয়া, দুধের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া, স্বাদে টকভাব বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখে বুঝুন দুধ আদৌ টাটকা আছে কিনা৷
6/6
নষ্ট দুধে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, গ্যাস এবং খাদ্য বিষক্রিয়া হতে পারে। ছোট শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
দুধ দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অপরিহার্য একটি খাদ্যদ্রব্য। তবে, অনেকেই জানতে চান যে দুধ ফ্রিজে কতদিন ভালো থাকে এবং এটি নষ্ট হয়ে গেছে কিনা তা কীভাবে বোঝা যায়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে দুধ অনেকদিন তাজা থাকতে পারে, কিন্তু সামান্য অসাবধানতাতেই তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
দুধের সংরক্ষণকাল এর ধরন ও সংরক্ষণ পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। জ্বাল দিয়ে ফোটানোর পর ফ্রিজে রাখলে এটি প্রায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। একবার খোলা হলে প্যাকেটটি সাধারণত ফ্রিজে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে।
না খোলা প্যাকেটে এটি বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত নিরাপদ থাকতে পারে, তবে খোলার পর ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত। দুধ সবসময় ফ্রিজের ভিতরের দিকে রাখুন। ফ্রিজের দরজার তাপমাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে, যার কারণে দুধ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
দুধ বেশিক্ষণ তাজা রাখার কিছু উপায় জানুন৷ দুধ ফোটানোর পর ফ্রিজে রাখার আগে তা পুরোপুরি ঠান্ডা করে নিন। দুধ একটি পরিষ্কার, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রাখুন। তার পর দুধ বার বার গরম ও ঠান্ডা করা থেকে বিরত থাকুন। আপনার কাছে বেশি পরিমাণে দুধ থাকলে, তা কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিন। ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নীচে রাখার চেষ্টা করুন।
নষ্ট দুধ কীভাবে শনাক্ত করবেন? টক গন্ধ, জমাট বেঁধে দুধ দানা-দানা হয়ে যাওয়া, টাটকা দুধের সাদা রং পাল্টে হাল্কা ধূসর হয়ে যাওয়া, দুধের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া, স্বাদে টকভাব বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখে বুঝুন দুধ আদৌ টাটকা আছে কিনা৷
6/6
নষ্ট দুধে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, গ্যাস এবং খাদ্য বিষক্রিয়া হতে পারে। ছোট শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
ফারহানা জেরিন